Select your city
Search



Honda Hornet user review by Rafiul Islam
2018-10-07 Views: 2396
Owned for 0-3months   []   Ridden for 0-1000km


This user provides ratings about this bike


  8 out of 10
Design
Comfort & Control
Fuel Efficient
Service Experience
Value for money

হোন্ডা হরনেট মোটরসাইকেল রিভিউ - রাফিউল ইসলাম



Honda-Hornet-user-review-by-Rafiul-Islam


হোন্ডা হরনেট ১৬০আর বাইকটি আমার ড্রিম বাইক। আমি যখন পূর্বে হিরো ডিলাক্স বাইক ব্যবহার করতাম তখন একটি খবর পাই যে বাংলাদেশে হোন্ডার ১৬০ সিসি বাইক আসছে এবং সেটির নাম হরনেট। এই খবর পাওয়া মাত্রই আমি অনলাইনে রিভিউ দেখতে থাকালাম এবং ভালো মন্দ খোঁজার চেষ্টা করলাম। এই ভালো মন্দ খুঁজতে খুঁজতে কখন যে হরনেট আমার মনের বিশাল একটা অংশ দখল করে নিয়েছে সেটা আমি বুঝতে পারিনি। বাইকের লুকস, ডিজাইন,রিভিউ সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে কিনে ফেললাম হোন্ডা হরনেট আর ১৬০ সিসি বাইকের প্রতি আমার আলাদা টান ছিলো।







আজ থেকে আমি প্রায় ১.৫ মাস আগে রাজশাহীর বানেশ্বরে অবস্থিত মিঠুন হোন্ডা থেকে বাইকটি কিনেছিলাম । যেহেতু আমার ড্রিম বাইক তাই আমি বাইকটা খুব যত্নে রাখার চেষ্টা করি । আরেকটি বিষয় হচ্ছে যে আমি আমার জীবনে প্রথম বাইক চালানো শিখি ডায়াং ৮০ সিসি দিয়ে এবং তখন থেকে বাইকের প্রতি নেশা দিনের পর দিন বাড়তে থাকে। আজ শেয়ার করবো হোন্ডা হরনেট নিয়ে আমার কিছু অভিজ্ঞতা।

হোন্ডা তার জনপ্রিয়তা এমনি এমনি অর্জন করেনি তারা তাদের প্রডাক্টের সাথে ভালো ভালো ফিচারস দিয়ে গ্রাহকদের সন্তুষ্টি করেছে এবং লোকাল মার্কেটে ভালো জায়গা করে নিয়েছে। ইঞ্জিনের দিক থেকে হোন্ডা কখনই আপোষ করেন না। হোন্ডা হরনেটের ইঞ্জিন আমার কাছে শুরু থেকে অনেক স্মুথ মনে হয়েছে এবং মনে হয় যে যত বেশি গরম হয় ততবেশি আরও স্মুথ হয়। ইঞ্জিনের শব্দটা মন জুড়ানো। আমি এই ইঞ্জিন থেকে টপ স্পীড পেয়েছি ১১০ কিমি প্রতি ঘন্টা। এটা আসলে টপ বললে ভুল হবে হাতে আরও পিক আপ ছিলো কিন্তু রাস্তা খারাপের জন্য চেষ্টা করিনি।

এবার ডিজাইন নিয়ে, প্রথমেই বলেছি যে এর ডিজাইনটা আমাকে অনেক মুগ্ধ করেছে। সামনের দিকটা সিটিং পজিশন থেকে দেখলে মনে হয় যে একটা দানব এবং এর বডি কিট এর জন্য মাস্কুলার অনুভূতি পাওয়া যায়। অন্যদিকে বাংলাদেশে বিদ্যমান ১৬০ সিসি অন্যান্য বাইকের থেকে এর এক্স শেপ টেল ল্যাম্প অনেক আকর্ষণীয় এবং আমি মনে করি যে এর থেকে বেশি আকর্ষণীয় টেল ল্যাম্প আর অন্য কোন বাইকে নেই।
প্রথম প্রথম সিটিং পজিশনটা একটু উঁচু মনে হত এরপর আমি সাসপেনশন এডজাস্ট করে নিই এবং সিটিং পজিশনটা এখন ঠিক মনে হয়। বাইকটা লং ড্রাইভে চালিয়ে আমি কোন ক্লান্তি কিংবা খারাপ কোন কিছু অনুভব করিনি। অনেকের দেখি যে তার বাইক বেশিক্ষন রাইড করলে ব্যাক পেইন বা কবজি ব্যথা করে কিন্তু আমার হরনেট বাইকে সেরকম কিছু অনুভব করি না। মোট কথায় আরামের দিক দিয়ে বাইকটি একদম সেরা বাইক মনে হয়েছে আমার কাছে।

কন্ট্রোলের দিক দিয়েও আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। আমি যে কোন পরিস্থিতিতে খুব ভালোভাবে কন্ট্রোল করে নিতে পারি । বিশেষ করে হোন্ডা উন্নত ব্রেকিং আমাকে কন্ট্রোল করতে অনেক সাহায্য করে । বাইকের স্পীডের সাথে সাথে ব্রেকিং সিস্টেমটাও অনেক উন্নত। আমি যত স্পীডেও থাকি না কেন এর ব্রেকিং এর কারনে আমি ভালোভাবেই কন্ট্রোল করে নিতে পারি।

অপরদিকে মনোশক সাসপেনশন থাকার ফলে হাইওয়ে কিংবা যে কোন খারাপ রাস্তায় খুব সুন্দর ব্যালেন্স পাই যা আমাকে সঠিক কন্ট্রোল এনে দেয় । আমি আত্মবিশ্বাসের সাথে করনারিং করতে পারি এর মোটা টায়ারের কারনে। বাইকের মোটা টায়ার আমাকে খুব ভালো কন্ট্রোল এনে দেয় এবং বৃষ্টি ভেজা রাস্তাতেও অনেক ভালো গ্রিপিং পাওয়া যায়। আমি একটা বিষয় লক্ষ্য করেছি যে বাইকের সাসপেনশনটা রাইডারের জন্য আরামদায়ক মনে হলেও পিলিয়ন এর জন্য আরামদায়ক নয়। খারাপ বা অতিরিক্ত ভাংগা রাস্তায় পিলিয়ন আরামবোধ করে না এবং বেশিক্ষন বসে থাকতে পারে না ঝাঁকুনির জন্য।

ইলেকট্রিক্যাল বিষয়গুলোর মধ্যে আমার শুধুমাত্র একটি বিষয় খারাপ লেগেছে সেটা হল এর হেডল্যাম্পের আলো। হেডল্যাম্পের আলোটা হাইওয়েতে খুব বেশি আলো দেয় না এবং বেশি স্পীডে রাইড করলে হেডল্যাম্পের কম আলোর জন্য আত্মবিশ্বাসের সাথে রাইড করা যায় না।

আমি যখন বাইকটা কিনি তার আগে বিভিন্ন অনলাইন ওয়েবসাইটে দেখেছিলাম যে হরনেটের মাইলেজ কোম্পানী দাবি করে ৫০ কিমি প্রতি ঘন্টা কিন্তু আমি পরিক্ষিতভাবে মাইলেজ পাচ্ছি ৪০ কিমি এর একটু বেশি। যেহেতু ১৬০ সিসির শক্তিশালী ইঞ্জিন তাই এই রকম মাইলেজ মান্য করাই যায়। মাইলেজ নিয়ে আমি অসন্তুষ্ট না।

আমি মিঠুন হোন্ডাতে সার্ভিসিং এর জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু তাদের সার্ভিস পরিবেশ আমার কাছে ভালো মনে হয়নি কারণ তারা সার্ভিস ভালো মত সরবরাহ করে না আর সার্ভিস শুরু করার আগে শুধু টিপস এর জন্য আবেদন করে। আমি মিঠুন হোন্ডার স্বত্বাধিকারীকে বলবো যে তারা যেন তাদের সার্ভিস মান আরও উন্নত করে এবং একবার গেলে বারবার যেতে মন চাই সেই ব্যবস্থা করে রাখে।

বাইকটা যখন প্রথম বাংলাদেশে আসে তখন আমি দেখে মনে করেছিলাম যে দাম ৩ লক্ষ টাকার উপরে হবে কিন্তু না হোন্ডা বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড বাংলাদেশের মানুষকে এক ধরণের সারপ্রাইজ দিয়েছে । দাম এর ফিচারস অনুযায়ী একদম ঠিকঠাক । আমার দাম নিয়ে কোন অভিযোগ নেই।

হোন্ডা হরনেটের ভালো মন্দ দিক এতক্ষন বলছিলাম কিন্তু এখন যে বিষয়টি বলবো সেটা অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং আমি মনে করি কোম্পানীর উচিত এই সকল বিষয় আমলে নেওয়া।

প্রথমত এর হেডল্যাম্পের আলোটা আরও উন্নত করা উচিত।
দ্বিতিয়ত এর সাসপেনশন পিলিয়নের জন্য আরামদায়ক না তাই এটাই একটু আমলে নেওয়া উচিত।
তৃতীয়ত ইঞ্জিন কিল সুইচ নাই যার ফলে বারবার চাবি দিয়ে অন অফ করা আমার কাছে ভালো লাগে না।
এই তিনটা সমস্যা আশা করি হোন্ডা আমলে নিবে এবং সমাধানের চেষ্টা করবে । আগামীতে যদি বাইক পরিবর্তন করি তাহলে অবশ্যই হোন্ডা সিবিআর রেপসল বাইকটি কিনবো। সবাইকে ধন্যবাদ।
Rate This Review

Is this review helpful?

Rate count: 26
Ratings:
Rate 1
Rate 2
Rate 3
Rate 4
Rate 5


More reviews on Honda CB Hornet 160R SD
    12 Reviews found
  • হোন্ডা হরনেট মোটরসাইকেল রিভিউ - সনি
    2018-11-19
    আমি একজন হোন্ডা হরনেট ব্যাবহারকারী । আমার নাম সনি খান। রাজশাহী শহরে বসবাস করি । বাইক রাইড করা আমার এক প্রকার নেশা, আমি আমার প্রতিদিনের সকল কাজে বাইক ব্যাবহার করি। বাসা থেকে বের হউয়া মানেই বাইক রাইড করা। আমার বাইকটি কেনার কোনো প্রধান কারন নেই। ব্যক্তিগত কাজে ব্যাবহার করার জন্যই বাইকটি মুলত কেনা হয়েছি...
    English Bangla
  • হোন্ডা হরনেট মোটরসাইকেল রিভিউ - মোরসালাত অমিত
    2018-10-18
    আমার নাম মোরসালাত অমিত। আমি রাজশাহী শহরের তেরখাদিয়া এলাকায় বসবাস করি। আমি বর্তমানে পড়াশুনা করি। আমি অনার্স তৃতীয় বর্ষের একজন ছাত্র। আমি বর্তমানে একজন হোন্ডা হরনেট ১৬০ সি সি বাইক ব্যাবহারকারী। দিনের বেশির ভাগ সময় কাম্পাসেই কাটাই তাই বাইক খুব একটা বেশি চালানো হয়না। আমার ছোট থেকেই বাইকের ওপর একটু ব...
    English Bangla
  • হোন্ডা হরনেট মোটরসাইকেল রিভিউ - রাফিউল ইসলাম
    2018-10-07
    হোন্ডা হরনেট ১৬০আর বাইকটি আমার ড্রিম বাইক। আমি যখন পূর্বে হিরো ডিলাক্স বাইক ব্যবহার করতাম তখন একটি খবর পাই যে বাংলাদেশে হোন্ডার ১৬০ সিসি বাইক আসছে এবং সেটির নাম হরনেট। এই খবর পাওয়া মাত্রই আমি অনলাইনে রিভিউ দেখতে থাকালাম এবং ভালো মন্দ খোঁজার চেষ্টা করলাম। এই ভালো মন্দ খুঁজতে খুঁজতে কখন যে হরনেট আমার ...
    English Bangla
  • হোন্ডা হর্নেট ১৬০সিসি মোটরসাইকেল রিভিউ - মেহেদী হাসান
    2018-09-05
    আজ হঠাৎ করেই মোটরসাইকেল ভ্যালী টিমের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়। আমি নাটোর থেকে চাপাই যাওয়ার পথে ব্রেক নিচ্ছিলাম, তখন আমার তাদের সাথে আমার দেখা হয়। তাদের মাধ্যমে আমি আমার মোটরসাইকেল এর রিভিউ প্রকাশ করতে পারায় অনেক আনন্দিত । কারণ তাদের কারনে আজ আমি আমার মোটরসাইকেল এর রিভিউ প্রকাশ করার সুযোগ পেয়েছি। আমার পর...
    English Bangla
  • হোন্ডা হর্নেট ১৬০সিসি মোটরসাইকেল রিভিউ - অলি আহাদ খান
    2018-07-26
    ভাই ব্রাদার কেমন আছেন সবাই? আমি অলি আজ আপনাদের সামনে একটি বাইক নিয়ে আলোচনা করতে এসেছি। ছোট মানুষ ভুল ত্রুটি হতে পারে ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখবেন। আমাদের দেশে 165cc পারমিট দেয়ার পরে বেশ কিছু কোম্পানি তাদের 160cc বাইক নিয়ে এসেছে। যার মধ্যে pulsar ns, rtr 160, honda cb hornet,KPR 165 অন্যতম। আজ আমি হোন্ডা সিবি হর্নেট বাইকটির ভালো দিক, ...
    English Bangla
  • হোন্ডা হরনেট ১৬০সিসি মোটরসাইকেল রিভিউ - মোরসালিন
    2018-07-05
    আমি মোঃ মোরসালিন। পেশায় আমি একজন ছাত্র। আমার বাসা বালিয়াপুকুর, রাজশাহী। পড়ালেখার পাশাপাশি আমি আমার বাবার ব্যবসায় বাবাকে সাহায্য করি তাই প্রায় আমাকে অনেক জায়গায় যাওয়া আসা করা লাগে আর আমার বাইক চালাতে অনেক ভালো লাগে। আমি আমার জীবনে প্রথম হিরো হোন্ডা স্পেন্ডারে বাইক চালানো শিখি। এই থেকে আমার বাইক চালা...
    English Bangla
  • হোন্ডা হরনেট ১৬০সিসি মোটরসাইকেল রিভিউ - ইসতিয়াক কবির
    2018-07-01
    আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে টিভিএস এপ্যাচি আরটিআর দিয়ে আমার বাইক চালানোর হাতে খড়ি। বাইকটা ছিলো আমার বড় ভাইয়ার । আমি সেই বাইক নিয়ে রাইড করতাম তারপর নিজে কিনে নিলাম পালসার এএস ১৫০ (লাল)। বাজাজ পালসার এএস ১৫০ নিয়ে আমি অনেক আরামদায়ক রাইড করতাম। তারপরে বাজারে হোন্ডা নিয়ে আসে তাদের ১৬২ সিসির হরনেট। হরনেটের লুক দে...
    English Bangla
  • হোন্ডা সিবি হর্নেট মোটরসাইকেল রিভিউ -জাহিদুল ইসলাম
    2018-06-27
    মোটরসাইকেল বাজারে বর্তমানে অনেক ব্রান্ডের মোটরসাইকেল আছে কিন্তু তার মধ্যে অনেক নামি ব্রান্ড হচ্ছে হোন্ডা।আমি অনেক ছোট থেকেই বাইক প্রেমি আমার বাইকের হাতে খড়ি হয় ইয়ামাহা ডিলাক্স ১০০ সিসি বাইকে।তারপর আরও দিন যেতে থাকে এবং আমার সহজে যাতায়াত করার জন্য একটি বাইকের প্রয়োজন হয় তাই আমি হিরো কোম্পানির হাঙ্...
    English Bangla
  • হোন্ডা সিবি হর্নেট মোটরসাইকেল রিভিউ -আল আসিফ পারভেজ
    2018-05-29
    বয়স অনেক কম তারপরও আমার বাইকের ওপর নেশা অনেক, আমি যখন ৫ম শ্রেনীতে পড়ি তখন আমার বাইক সম্বন্ধে একটু একটু জানা শুরু হয় এবং তার কিছু দিন পর আমার বাবা টিভিএস কোম্পানির অ্যাপাচি বাইকটি কিনেন, বাইকটি দেখে আমার মন খুশিতে ভরে ওঠে । সেই থেকেই আমি যখনি সময় পেতাম বাবার বাইকটি নিয়ে ঘুরতাম এই সময় থেকেই আমার বাইক সমদ্ধ...
    English Bangla
  • হোন্ডা সিবি হর্নেট প্রথম ব্যবহারের অভিজ্ঞতা – আবিরুল ইসলাম
    2018-03-11
    আমি আবিরুল ইসলাম বসবাস করি ভদ্রা, রাজশাহী। আমি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। বাইক হচ্ছে আমার স্বপ্ন এবং আমার ব্যবসায়ীক কাজে বাইক ব্যবহার করে থাকি। যখনই একটু সময় পাই বাইক নিয়ে তখনই ছুটে বেড়ায়। আমি অনেক বাইক ব্যবহার করেছি যেমন- বাজাজ ডিস্কোভার, হিরো হোন্ডা হাংক এবং ইয়ামাহা এফযেডএস কিন্তু এখন আমি যে বাইকটি ব্যবহ...
    English Bangla
  • হোন্ডা সিবি হরনেট ফীচার রিভিউ
    2018-03-10
    সিসি লিমিট বৃদ্ধির পরে বাংলাদেশের অনেক বাইকার তাদের কাংখিত বাইক আপন করে নিয়েছে। এই সিসি লিমিট বৃদ্ধির পরে কিছু আলোচিত বাইক ছিলো যার মধ্যে হোন্ডা সিবি হরনেট অন্যতম। হোন্ডা হরনেট নিয়ে কম বেশি সকলেই অনেক মতামত দিয়েছেন এবং অনেকের কাছে পরিষ্কার ধারণা ছিলো না যে দানবটা কেমন পারফরমেন্স দিবে। জাপানী ব্যান...
    English Bangla
  • হোন্ডা সিবি হর্নেট প্রথম ব্যবহারের অভিজ্ঞতা – সাফওয়ান
    2018-02-25
    হোন্ডা সিডি৮০, ডিস্কোভার ১০০, টিভিএস এপ্যাচি আরটিআর ১৫০, হোন্ডা সিবি ট্রিগ্রার এসকল বাইক ব্যবহার করার পর আমি কিনে ফেলি হোন্ডার বহুল আলোচিত ১৬০ সিসির বাইক হোন্ডা হরনেট। বাইক জিনিসটাই আমার খুব শখের এবং আমি বাইক নিয়ে ঘুরাঘুরি করতে খুব ভালোবাসি। আমার ইচ্ছা আছে যে হোন্ডা হরনেট নিয়ে বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ভ্র...
    English Bangla



Filter
Brand
CC
Mileage
Price

Advance Search
Motorcycle Brands in Bangladesh

View more Brands