Select your city
Search



Yamaha Fazer Fi v2 user review by Oli Ahad Khan
2018-07-16 Views: 1381
Owned for 0-3months   []   Ridden for 5000-10000km

User Ratings about this bike

Design
Comfort & Control
Fuel Efficient
Service Experience
Value for money

ইয়ামাহা ফেজার মোটরসাইকেল রিভিউ - অলি আহাদ খান


Yamaha-Fazer-Fi-v2-user-review-by-Oli-Ahad-Khan

আমার বাইকটি নিয়ে কিছু কথা বলব আজ আপনাদের সাথে। ভুলত্রুটিগুলো ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখবেন আশাকরি।

বাজাজ সিটি ১০০ বাইক টি দিয়ে চালানো শিখলেও নিজের প্রথম বাইক ছিল পালসার। যা ১৬০০০ কিলোমিটার চালিয়ে বিক্রি করে দিয়ে, ইয়ামাহা ফেজার ভার্সন -২ বাইক টি কিনি।

মাহা ফেজার বাইক টি ছিল আমার বাচ্চাকালের ভালোলাগা, জীবনের প্রথম ক্রাস। তখন অবশ্য ফেজার ভার্সন-2 ছিল না কিন্তু তখন থেকেই এর দুটি চোখ,বিশাল দেহ ও মোটা টায়ার আমাকে আকৃষ্ট করতো।

তখন সামর্থ্য না থাকলেও 2017 সালের মাঝামাঝি সময়ে দুয়ে দুয়ে চার মিলে যাওয়ায় কিনে ফেলি ফেজার ভার্সন- 2 বাইক টি।

ফেজার ভার্সন-২ বাইকটি ফুয়েল ইঞ্জেকশন (এফ আই)। এই প্রযুক্তির ফলে বাইকটি যেকোন আবহাওয়াতে স্টার্ট হতে সক্ষম, এবং মাইলেজ বেশি পাওয়া যায়। এছাড়াও বাইকটিতে আছে ব্লু-কোর সহ আরো অনেক ফিচার। যার মধ্যে পড়ে গেলে নিজেই থেকে স্টার্ট বন্ধ হয়ে যাওয়া উল্লেখযোগ্য।

আসলে বাইকটি নেয়ার সময় এত কিছু চিন্তা করে নেইনি । ফেজার নেব তাই নিয়েছি।

বাইকটি নেয়ার পরে আমি তাকে আমার মনের মত করে নিয়েছি। হালকা কিছু মডিফাই করেছি, হালকা একটু সাজিয়েছি, নিজের কাছে যেসব অসুবিধা মনে হয়েছে সেগুলিকে সমাধান করার চেষ্টা করেছি ।

প্রথমেই বলি সমস্যার কথা:-বাইকটিতে চেইনের প্রবলেম ফেস করেছিলাম যা এসিআই ঠিক করে দিয়েছে।

AHO সিস্টেমটি থাকায় অনেকেই বলতো ভাই লাইট জলে আছে, তাই ফেজার এর আগের বাইকটির চাপা লাগিয়ে নিয়েছি, এখন আমার হেড লাইট অফ হয়, দুটি একসাথে জলে আবার একসাথে আপার ও ডিপার হয়।

ইঞ্জিন গরম হওয়ার সমস্যা এটিই ছিল প্রথম থেকেই পরবর্তীতে shell ultra 10w40 ব্যবহার করে এই সমস্যা থেকে পরিত্রান পাই।

এই বাইকের সাউন্ড আমার পছন্দ ছিল না তাই হলার লাগিয়ে নিয়েছি আলাদা করে।


Yamaha-Fazer-Fi-v2-user-review-by-Oli-Ahad-Khan

আমার করা মডিফাই:- আর সব ছেলের মত আমারও একটু স্পোর্টস বাইক পছন্দ , মার্জিত লুকের থেকে একটু স্পোর্টি লুক আমার বেশি ভালো লাগে। তাই আমার বেজার এ স্পোর্টি লুক আনার জন্য পিছনটা উঁচু করিয়েছি, সামনটা নিচু করিয়েছি এবং ১৩ পার্ট এর একটি মিক্সিং হ্যান্ডেল লাগিয়েছি। এছাড়া রয়েছে ১৫০/৬০/১৭ রেয়ার টায়ার, এতে আমার বাইকটি স্টান্ডার্ড লুক থেকে স্পোর্টি লুক এ কনভার্ট হয়েছে।

এছাড়াও ব্রিক্স প্লাগ, ইঞ্জিন গার্ড, CYT লাইট, এক্সট্রা ক্রী লাইট ও একটি সড়ক টায়ার গার্ড লাগিয়েছি।

আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, বাইক এর পিছনটা উচু করে আমার কোনো অসুবিধা হয় কিনা আমি উত্তরে বলব একদমই প্রবলেম হয় না, যেহেতু আমি একটু মোটা মানুষ তাই পিছনটা উঁচু না করালেই মনে হয় আমার প্রবলেম হতো।

মক্সির হ্যান্ডেল টি লাগিয়ে বাইকটিতে একটি স্পোর্টি লুক এসেছে। সামনের দিকে ঝুকতে হয় বাইকটি চালানোর সময় ব্রেক করলে সামনটি দেবে যায় যার ফলে ব্রেকিং এ একটু বেশি কনফিডেন্স পাওয়া যায়। তবে হ্যান্ডেল তেল লাগিয়ে বাইক ঠিক ঘুরাতে একটু প্রবলেম হয়।

ব্রিক্স প্লাগ এর জন্য খুব সহজেই ০-৬০ উঠে যায়।
পিছনের ১৫০ টায়ারটি কর্নারিং এর সময় আত্মবিশ্বাস প্রদান করে এবং ব্রেকিং এ খুব সাহায্য করে।
আমার মতে ফেজার এর জন্য CYT লাইট টি সব থেকে ভালো।
রিম দুটি কালার করে ও স্টিকার দিয়ে বাইকটি সাজিয়েছি মনের মত করে। হ্যাঁ অনেকেরই এটি ভালো নাও লাগতে পারে।
এবার একটু কথা বলা যাক বাইকের বিল্টেড জিনিসপত্র ও গতি নিয়ে।

বাইকের বর্তমান বয়স ১০০০০ কিলোমিটার। আজ পর্যন্ত সে আমাকে নিরাশ করেনি। শহরের মধ্যে ৪০-৪২ ও হাইওয়েতে ৪৫ এর মত মাইলেজ পাই। জীবনের প্রয়োজনে হাইওয়েতে আমাকে একটু বেশি চালাতে হয়। এখন পর্যন্ত টপ স্পীড পেয়েছি ১২১ এর মত। হয়তো চাপাচাপি করলে আরো উঠবে কিন্তু আমার কাছে এটাই অনেক। মাথায় রাখা ভালো (যত গতি তত ক্ষতি)। তাই আর বেশী চেষ্টা করিনি। বাংলাদেশের যেকটি বাইক আছে তার মধ্যে ফেজারের এর ব্রেকিং ও ব্যালান্স আমার কাছে সবচেয়ে ভাল মনে হয়েছে।

এই বাইকে বিল্টেড কোন এলইডি বাল্ব নাই। তবে ইন্ডিকেটর লাইটগুলো ফ্লাক্সিবল হওয়ার কারণে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।

ভার্সন-১ এর থেকে ভার্সন-২ এর গ্রাফিক্স ও কালার কম্বিনেশন কিছুটা ভালো। কিন্তু দুঃখের বিষয় কীটগুলো চাহিদা মোতাবেক মজবুত নয়।

বাইকটিতে ফুল ডিজিটাল মিটার রয়েছে যাতে ফুয়েল গেজ, ট্রিপ মিটার, স্পীডোমিটার, rpm মিটার রয়েছে। কিন্তু টপ স্পীড রেকর্ডার, মাইলেজ রেকর্ডার নাই।

বাইকটির সাসপেনশন নিয়ে কোন কথা হবে না বস। পুরাই মাখন।

আগেরটি থেকে এই বাইকের শেফ কিছুটা এরোমেটিক করা হয়েছে।

এই বাইকের সিটিং পোজিসন অনেক ভালো এবং পিলিওন সিট ও যথেষ্ট আরামদায়ক।

বাইকটিতে ব্যাগ আটকানোর হুক লাগানোর জায়গা নেই। তবে এর শিং দুটো হুক এর অভাব পূরণ করতে সক্ষম।

পরিশেষে বলা যায় সবাইকে কিছু না কিছু সমস্যা থাকে কিন্তু সবগুলোতেই আলাদা আলাদা কিছু ভাল দিকও থাকে সমস্যাগুলোকে নিজের মতো করে সমাধান করে দিতে পারলেই একটি বাইক থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ ভালো পারফর্মেন্স এসিভ করা সম্ভব।







Rate This Review

Is this review helpful?

Rate count: 11
Ratings:
Rate 1
Rate 2
Rate 3
Rate 4
Rate 5




Bike Reviews
  • Suzuki Gixxer SF user review by Naim
    2018-10-17
    I am Naim and I am a student at present. I live in laxmipur Rajshahi and I am using Suzuki Gixxer 150. I am a motorcycle lover and this is like my drug now, I am addicted. Few years back I have learned bike riding using Bajaj Discover 100. For doing some personal works like going for tuitions or for family needs I bought this bike after learning bike riding. No especial reason behind hav... English Bangla
  • My story about Lifan KPR 165 Fi - Kamarujjaman
    2018-10-16
    Hope you all are familiar to Zongshen motorcycles, I am saying it because with that bike I have learned bike riding. After I learned bike riding I have used that bike for two years and then I bought Bajaj Pulsar 150. I liked everything about Pulsar 150 but one thing I didn’t like was the engine sound. A bothering sound was heard from that engine which I never liked. For that reason that bike... English Bangla
  • TVS Stryker user review by Abdul Hannan
    2018-10-15
    Motorcycle is the most well known and popular personal vehicle in Bangladesh and the top reason of its popularity is, this vehicle can move very fast ignoring the traffic often the road condition wherever the bikers are. Even a motorcycle helps a lot in emergency situations of our life. It is good to mention that, users of motorcycle in our country are increasing day by day and the number is g... English Bangla


Filter
Brand
CC
Mileage
Price

Advance Search
Motorcycle Brands in Bangladesh

View more Brands