Hero বাইকে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট/অফার/গিফট পেতে ক্লিক করুন
Search



Yamaha R15 V3 Dual ABS User Review by Nur Amin
2020-10-03 Views: 475
Owned for 3months-1year   []   Ridden for 1000-5000km


This user provides ratings about this bike


  8 out of 10
Design
Comfort & Control
Fuel Efficient
Service Experience
Value for money

This bike is purchased from Crescent Enterprise, Dhaka

ইয়ামাহা আর১৫ ভি৩ ডুয়াল এবিএস ব্যাবহারিক অভিজ্ঞতা নুর আমীন


yamaha-r15-v3-dual-abs-user-review-by-nur-amin.jpg

ছোটবেলা থেকেই বাইকের প্রতি বিশেষ আকর্ষন কাজ করতো। আমার কাছে বাইক মানেই হচ্ছে খুব দামী একটি বাহন যার মাধ্যেম নিজের ইচ্ছা, নিজের শখ নিমিষেই পূরণ করা যায়। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন থেকেই খেয়াল করতাম যে আশেপাশে বড় ভাইয়েরা ভালো ভালো বাইক ব্যবহার করতো এবং তারা বাইক নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যেত। এটা দেখে আমারও শখ জাগে বাইকের প্রতি। আমি মনে মনে সংকল্প করেছিলাম যে বাইক যেদিন কিনবো সেদিন একটা ভালো মানের বাইক কিনবো এবং সেটা নিয়ে নিজের পছন্দের স্থানগুলোতে ঘুরে বেড়াবো। আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে সে ইচ্ছা আমার পূরণ হয়েছে। এখন আমি ব্যবহার করছি Yamaha R15 V3 .


আমার বাসা রাজশাহীতে । পড়াশোনার জন্য বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছি। আমার ঢাকায় প্রতিদিনের যাতায়াতে এবং মাঝে মধ্যে ছুটি পেলেই রাজশাহীতে ছুটে যায় বাইক নিয়ে। মনে মত বাইক পেয়ে আমি নিজে খুব খুশি। এইবার বলি ইয়ামাহা আরওয়ানফাইভ ভার্সন ৩ বাইকটি পছন্দ করার কারণ। যেহেতু ছোটবেলা থেকেই প্রিমিয়াম বাইকের উপরে একটা ঝোঁক ছিলো এবং বাজারে অন্যান্য প্রিমিয়াম বাইক নিজে নিজেই বিচার করেছি। আমার মতে এত সুন্দর ডিজাইন, ইঞ্জিন, ব্রেকিং, কন্ট্রোল মানে ওভারঅল সুন্দর একটা বাইক অন্য কোন প্রিমিয়াম বাইকে খুঁজে পাইনি। ইয়ামাহা নিঃসন্দেহে একটি ভালো ব্র্যান্ড এবং এই বাইকটা যারা ব্যবহার করেছেন তারা সবাই পজিটিভ উত্তর দিয়েছেন। তাই সব মিলিয়ে প্রিমিয়াম বাইকের মধ্যে পছন্দ করেছি ইয়ামাহা আরওয়ানফাইভ ভার্সন ৩ ।


প্রায় ৪ মাস আগে এই বাইকটা আমি ক্রিসেন্ট এন্টারপ্রাইজ থেকে ক্রয় করেছি এবং এই ৪ মাসে রাইড করেছি ১৫০০ কিমি। করোনা পরিস্থিতির জন্য বাইক সেভাবে রাইড করা হয়নি তবুও হাতে যতটুকু সময় পেয়েছি রাইড করেছি । আমি আজ আপনাদের সাথে আমার এই ইয়ামাহা আরওয়ানফাইভ ভার্সন ৩ বাইক ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।


বাইকটি ব্যবহার করে আমি যে ভালো অভিজ্ঞতাগুলো পেয়েছি তা হল


-Yamaha R15 V3 বাইকের কন্ট্রোল আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে। সিটিং পজিশনে বসে হ্যান্ডেলবার ধরে যখন রাইড করি এবং যখন কন্ট্রোল করার সময় হয় তখন খুব ভালো ভাবেই আমি কন্ট্রোল করে নিতে পারি। অন্যদিকে মোটা চাকা, মনোশক সাসপেনশন এগুলোর প্লেসমেন্ট ভালো হওয়ার ফলে কন্ট্রোল অনেক ভালো পাই।


-গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স আমার কাছে পারফেক্ট মনে হয়েছে। বেশিরভাগ প্রিমিয়াম বাইকে দেখা যায় যে গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্সটা কম যার ফলে নিচের অংশে যে প্লাস্টিক কিট থাকে সেটা ভেংগে যাওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে কিন্তু ইয়ামাহা আরওয়ানফাইভ ভি৩ এর গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এক একথায় অসাধারণ।


-এবিএস ব্রেকিং সিস্টেম এর ফিডব্যাক অনেক ভালো পেয়েছি। আমি এই বাইকের ব্রেকিং সিস্টেম বিভিন্ন রাস্তায় চালিয়ে অনেক ভালো রেসপন্স পেয়েছি এবং এবিএস ব্রেকিং বৃষ্টির দিনে খুব ভালো সাপোর্ট এয় ব্রেকিং এর ক্ষেত্রে।


-ডিজাইন আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। এদিকে বাইকের ডিজাইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কালার কম্বিনেশন অনেক ভালো লেগেছে এবং ইয়ামাহা আরওয়ান ফাইভ ভার্সন ৩ এর মূল আকর্ষণ হচ্ছে এর সামনের কিলার লুকস যেটা সবার ভালো লাগবে।


এইবার বলি এই বাইক নিয়ে আমার কিছু মন্দ অভিজ্ঞতা


-শহরের মধ্যে বাইকটা নিয়ে বেশিক্ষন রাইড করলে আমার কাছে কব্জিতে একটু ব্যথা মনে হয় এবং ভাঙ্গা রাস্তাতে রাইড করলেও একই সমস্যা মনে হয়। আমার মনে এর হ্যান্ডেলবার বেশি নিচু হওয়ার কারণে এই সমস্যাটা হয়।


-আমি ঢাকা থেকে রাজশাহী এসেছি বাইক রাইড করে। আমার কাছে এই বাইকটা খুব বেশি আরামদায়ক মনে হয়নি লং রাইডে কারণ এই বাইকের যে হ্যান্ডেলবার রয়েছে তা বেশিক্ষন রাইড করার জন্য উপযোগী নয় বলে আমার কাছে মনে হয়েছে এবং আমার কব্জিতে ও পিঠে ভালোই ব্যথা অনুভব করেছি।


আমি এই বাইকটা যে কারণে পছন্দ করেছি সেটা শুরুতেই বলেছি এবং আবারও বলছি যে আমার কাছে ইয়ামাহা ব্র্যান্ড ভ্যালু, বাইকের ডিজাইন, ইঞ্জিন পারফরমেন্স এবং ইউজার এক্সপেরিয়েন্স থেকে পাওয়া তথ্য সব মিলিয়ে আমার সিদ্ধান্ত হয়েছে এই বাইকটা নেওয়ার।


মাইলেজ আমি এখন খুব বেশি পাচ্ছি না কারণ ব্রেক ইন পিরিয়ডে বাইকটি আছে। আমি অনুমান করে বলতে পারি যে বাইক থেকে এখন আমি মাইলেজ পাচ্ছি শহরের মধ্যে ৩০ কিমি প্রতি লিটার এবং হাইওয়েতে পাচ্ছি ৩৫ কিমি প্রতি লিটার । আমার মতে ব্রেক ইন পিরিয়ড পার করার পর এই বাইকের মাইলেজ আরও অনেক হবে। আমি শুনেছি যে অনেকেই ৪৫ কিমি প্রতি লিটারের উপরে মাইলেজ পান। আমিও আশাবাদী যে এই বাইক থেকে সেরকমই মাইলেজ পাবো।


আমি একদিনে এই বাইকটা নিয়ে রাইড করেছি ২৮০ কিমি এর মত এবং আমার কাছে ইঞ্জিনের বা বাইকের অন্য কোন সমস্যা মনে হয়নি শুধুমাত্র আমার কব্জি ও পিঠে ব্যথা অনুভব করেছি। অন্যদিকে বাইকের প্লাস্টিক যে পার্টসগুলো রয়েছে সেগুলো আমার কাছে মজবুত মনে হয়েছে। প্লাস্টিকগুলো উন্নতমানের কিন্তু যতই উন্নতমানের হোক না কেন আঘাত পেলেই প্লাস্টিক ফাটবেই। বাইকের দাম এর ইঞ্জিন পারফরমেন্স, ফিচারস, বিল্ড কোয়ালিটি অনুযায়ী আমার কাছে একটু বেশি মনে হয়েছে । দামটা যদি ৪ লক্ষ ৬০ কিংবা ৪ লক্ষ ৫০ হাজার এর মত করা হত তাহলে মনে হয় আমার জন্য বাইকটার দাম পারফেক্ট মনে হত।


ইয়ামাহার সার্ভিস থেকে ভালো ফিডব্যাক পেয়েছি কারণ তারা অনেক দক্ষতার সাথে কাজ করে এবং সমস্যাগুলো খুব ভালোভাবেই সমাধান করার চেষ্টা করে। যারা এই বাইকটি কিনবেন তাদের উদ্দেশ্যে আমার কথা হল এই যে, যাদের উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি এর কম তাদের জন্য এই বাইকটা তেমন আরামদায়ক হবে না কারণ হ্যান্ডেলবার একটু বেশি হেলানো যার ফলে ব্যাক পেইনের সমস্যা হতে পারে। অন্যদিকে যাদের ব্যাক পেইনের সমস্যা আছে বা মাজাতে সমস্যা আছে তাদের জন্য এই বাইকটা রাইড করতে সমস্যা হবে। এগুলো বিষয় ছাড়া বাইকটি নিঃসন্দেহে আপনারা কিনতে পারেন । প্রিমিয়াম বাইকের মধ্যে আমার কাছে সেরা বাইক মনে হয়েছে এই ইয়ামাহা আরওয়ানফাইভ ভি৩ কে। ধন্যবাদ সবাইকে আমার রিভিউটি পড়ার জন্য এবং এই রিভিউটা সম্পূর্ণ আমার ব্যাক্তিগত মতামত তাই যে কোন ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।







Rate This Review

Is this review helpful?

Rate count: 1
Ratings:
Rate 1
Rate 2
Rate 3
Rate 4
Rate 5


More reviews on Yamaha R15 V3 Dual ABS
  • ইয়ামাহা আর১৫ ভি৩ ডুয়াল এবিএস ব্যাবহারিক অভিজ্ঞতা নুর আমীন
    2020-10-03
    ছোটবেলা থেকেই বাইকের প্রতি বিশেষ আকর্ষন কাজ করতো। আমার কাছে বাইক মানেই হচ্ছে খুব দামী একটি বাহন যার মাধ্যেম নিজের ইচ্ছা, নিজের শখ নিমিষেই পূরণ করা যায়। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন থেকেই খেয়াল করতাম যে আশেপাশে বড় ভাইয়েরা ভালো ভালো বাইক ব্যবহার করতো এবং তারা বাইক নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যেত। এটা দেখে আমারও শ...
    English Bangla



Filter
Brand
CC
Mileage
Price

Advance Search
Motorcycle Brands in Bangladesh

View more Brands