হোন্ডা ড্রিম ১১০ রেড এর অফিসিয়ালী দাবীকৃত মাইলেজ ৭৪কিমি/লিটার।
হোন্ডা ড্রিম ১১০ রেড ব্যবহারকারীদের থেকে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক ব্যবহারকারীগন গড়ে ৬০কিমি/লিটার মাইলেজ পেয়ে থাকেন।
উল্লেখ্য মাইলেজের বিষয়টি বাইকের কন্ডিশন, রোড কন্ডিশন, চালানোর ধরন, বাইকারের ওজন, জ্বালানীর মান ইত্যাদির উপর নির্ভর করে কম বেশি হয়ে থাকে।
Views: 1474
হোন্ডা ড্রীম ১১০ এর জন্য অকটেন সব থেকে ভালো।
৯০০-১০০০কিমি পরপর হোন্ডা ড্রীম ১১০ এর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করতে হবে।
প্রতি ৩০০০কিমি পর পর হোন্ডা ড্রীম ১১০ এর এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার এবং ১২০০০কিমি পর পরিবর্তন করতে হবে।
প্রতি ৩০০০কিমি পর পর হোন্ডা ড্রীম ১১০ এর অয়েল ফিল্টার পরিবর্তন করতে হবে।
প্রতি ১৫০০০কিমি পর পর হোন্ডা ড্রীম ১১০ এর স্পার্ক প্লাগ পরিবর্তন করতে হবে ।
ব্রেক ইন পিরিয়ডের সময় হোন্ডা ড্রীম ১১০ এর স্পীড ৪০-৫০কিমি/ঘন্টার মধ্যে রাখতে হবে।
হোন্ডা ড্রিম ১১০ রেড এর অফিসিয়ালী দাবীকৃত মাইলেজ ৭৪কিমি/লিটার।
হোন্ডা ড্রিম ১১০ রেড ব্যবহারকারীদের থেকে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক ব্যবহারকারীগন গড়ে ৬০কিমি/লিটার মাইলেজ পেয়ে থাকেন।
উল্লেখ্য মাইলেজের বিষয়টি বাইকের কন্ডিশন, রোড কন্ডিশন, চালানোর ধরন, বাইকারের ওজন, জ্বালানীর মান ইত্যাদির উপর নির্ভর করে কম বেশি হয়ে থাকে।
হোন্ডা ড্রিম ১১০ রেড এর সর্বোচ্চ গতি ১০০কিমি/ঘন্টা।
বাইকের সর্বোচ্চ গতি কিছু কিছু বিষয়ের উপরে নির্ভর করে যেমন, রাস্তার অবস্থা, টায়ারে বাতাসের প্রেসার, ইঞ্জিন অয়েল, তেলের কোয়ালিটি, ইঞ্জিনের অবস্থা ইত্যাদি।
হোন্ডা ড্রিম ১১০ রেড এর ইঞ্জিন অয়েল গ্রেড 10w-30।
হোন্ডা ড্রিম ১১০ রেড এর ইঞ্জিন অয়েল ধারন ক্ষমতা ১০০০মিলি।
হোন্ডা ড্রিম ১১০ রেড এর সামনের চাকায় ২৫ পিএস আই এবং পেছনে ২৯ পি এস আই এয়ার প্রেসার প্রয়োজন।
হোন্ডা ড্রিম ১১০ রেড এর ট্যাঙ্কে তেল ধারন ক্ষমতা ৮ লিটার।
ট্যাঙ্কিতে যে পরিমাণ তেল ধরে তার প্রায় ১৫% তেল রিজার্ভে থাকে।হোন্ডা ড্রিম ১১০ রেড এর রিজার্ভে প্রায় ২ লিটার তেল থাকে।
হোন্ডা ড্রিম ১১০ রেড এর সকল পার্টস সহজলভ্য এবং হোন্ডার যে কোন অথরাইজড ডিলারের কাছে তা পাওয়া যায়।
এখন হোন্ডা ব্র্যান্ডের গ্রাহকরা ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে ইএমআইতে হোন্ডার যেকোন বাইক কিনতে পারবেন।
হোন্ডার কর্তৃপক্ষ এই নীতি পরিবর্তন করতে পারে।